Search

অত্যাচার সইতে না পেরে গৃহবধুর আত্মহত্যা

নিজস্ব প্রতিবেদক, কুমিল্লা //  কুমিল্লায় শ্বাশুড়ির অত্যাচারে ছেলের বউয়ের আত্মহত্যার খবর পাওয়া গেছে। শ্বাশুড়ির অত্যাচার সইতে না পেরে গলায় ফাঁস লাগিয়ে বৃহস্পতিবার (২০ শে এপ্রিল) কুমিল্লা সদর দক্ষিণের বিজয়পুর ইউনিয়নের বিজয়পুর উত্তর পাড়ার আর্মির বাড়িতে আত্মহত্যা করেছেন তামান্না আক্তার চৈতী (২২) নামে এক গৃহবধু।


অত্যাচার সইতে না পেরে গৃহবধুর আত্মহত্যা

এ বিষয়ে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন মেয়ের পরিবার।
এরই মধ্যে মরদেহ উদ্ধার করে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানা পুলিশ কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে কুমিল্লা সদর দক্ষিন থানা পুলিশ।
এলাকাবাসী ও প্রেিবশির বক্তব্যে জানা গেছে, ৮ মাস আগে মধ্যমবিজয়পুর এলাকার চান মিয়ার ছেলে বড় ছেলে সৌদি প্রবাসী মিজানুর রহমানের সাথে বিয়ে হয়। তাদের সংসার ঠিকঠাক চলছিল। ৩ মাস পূর্বে ছেলে সৌদি আরব চলে গেলে শাশুড়ি ছেলের বউকে যৌতুকের জন্য চাপ দেয়। এরপরে চলে অশান্তি। এ নিয়ে এলাকায় বিচার শালিশী করেন এলাকাবাসী। পরে এতে শাশুড়ি ও ছেলের বউয়ের সাথে আর ঝগড়া করবেনা এমন প্রতিশ্রুতি দেন। ২০ এপ্রিল বৃহস্পতিবার সকালে আবার শাশুড়ির সাথে ঝগড়া হলে বউ চৈতী ঘরের ভিতরে ফ্যানের সাথে ঝুলিয়ে আত্মহত্যা করে।
এ বিষয়ে শাশুড়ি ফেরদৌসী আক্তার বলে, আমি আমার ছেলের বউয়ের সাথে কোনো ঝগড়া করিনি। সকালে আমার সাথে একটু কথা-কাটাকাটি হয়। পরে সে ঘরে দৌড় দিয়ে চলে যায়। আমিও পিছনে গেলে দরজাটা আটকিয়ে দেয়। পরে ফ্যানের সাথে সুতার কাপড় গলায় দিয়ে ফাঁসি দেয়। পরে পুলিশ দরজা ভেঙ্গে লাশ বের করে।
মেয়ের মা তামান্না বলেন, আমার সাথে মেয়ের শাশুড়ি এতো যোগাযোগ করতে দিতনা। আজ সকালে মেয়ে কল দিলে শুধু চিল্লাচিল্লি শুনি। পরে কল কেটে দেয়। কিছুক্ষণ পর আমাকে কল করে জানায় আমার মেয়ে আত্মহত্যা করেছে। আমি আমার মেয়ে হত্যার বিচার চাই।  কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ দেবাশীষ চৌধুরী বলেন, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।অভিযোগ অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।